ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামসহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে কোন দেশ কী করছে

Spread the love
সোশ্যাল মিডিয়ার রাশ টেনে ধরার চেষ্টা চলছে অনেক দেশেই
Image captionসোশ্যাল মিডিয়ার রাশ টেনে ধরার চেষ্টা চলছে অনেক দেশেই

সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে এখন তোলপাড় সারা দুনিয়ায়। যে কেউ কোন বিষয়ে যা খুশি বলে দিতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায়, আইনের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে।

কিছুদিন আগে নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ৫০ জনকে হত্যার ঘটনা যেভাবে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করা হলো, সেটা নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ধিক্কার উঠেছে বিশ্বজুড়ে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এখন চেষ্টা চলছে কিভাবে বড় বড় সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বেপরোয়া কাজকর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যায়।

এটিকে আবার অনেকে দেখছেন মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের চেষ্টা হিসেবে।

সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে এখন মত প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। অনেক দেশেই কর্তৃত্ববাদী সরকার সেটা পছন্দ করছে না। কাজেই এধরণের আইন করার পেছনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করার অভিসন্ধি দেখছেন অনেক সমালোচক।

স্ব-নিয়ন্ত্রণ

ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মগুলো এতদিন ধরে দাবি করে এসেছে যে, তাদের প্রতিষ্ঠানে এক ধরণের ব্যবস্থা চালু আছে, যেখানে তারা নিজেরাই আপত্তিকর বিষয়বস্তু সরিয়ে নেন।

ইউটিউব দাবি করে, তাদের সাইটে যখন কোন আপত্তিকর কনটেন্ট দেয়া হয়, তারা সেটি জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।

আরো পড়ুন:

ফেসবুক ব্যবহার নিজের প্রতি ভালোবাসা বাড়াচ্ছে?

ফেসবুকের কাছে কী তথ্য চায় বাংলাদেশ সরকার

আপনার পকেটের ফোনে লুকিয়ে থাকা গুপ্তচর

সমালোচকরা এসব আইনকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংকোচন হিসেবে দেখছেন
Image captionসমালোচকরা এসব আইনকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংকোচন হিসেবে দেখছেন

২০১৮ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ইউটিউব প্রায় ৭৮ লাখ ভিডিও তাদের সাইট থেকে অপসারণ করেছে। এর মধ্যে ৮১ শতাংশই সরানো হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এই ভিডিওগুলোর তিন চতুর্থাংশই কেউ দেখার আগেই সরিয়ে ফেলা হয়।

শুধুমাত্র আপত্তিকর ভিডিও সরিয়ে নেয়ার জন্য সারা বিশ্বে ইউটিউব দশ হাজার লোক নিয়োগ করেছে। তাদের কাজ মনিটরিং করা এবং আপত্তিকর ভিডিও সরিয়ে নেয়া।

ফেসবুক, যারা ইনস্টাগ্রামেরও মালিক, বিবিসিকে জানিয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানে এরকম কাজের জন্য আছে ৩০ হাজার লোক।

কেবল গত বছরের অক্টোবর হতে ডিসেম্বরের মধ্যেই ফেসবুক ১ কোটি ৫৪ লাখ সহিংস কনটেন্ট সরিয়ে নিয়েছে তাদের সাইট থেকে। আগের তিন মাসের তুলনায় এটা প্রায় ৭৯ লাখ বেশি।

কিছু কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শনাক্ত করা যায়, কেউ দেখে ফেলার আগেই। সন্ত্রাসবাদী প্রপাগান্ডার ক্ষেত্রে, ফেসবুক দাবি করছে, ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ কনটেন্টই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি দিয়ে শনাক্ত করা হয়েছে, তারপর সেগুলো মুছে দেয়া হয়েছে।

তরুণরা এখন দিনের উল্লেখযোগ্য একটা সময় কাটায় সোশ্যাল মিডিয়ায়
Image captionতরুণরা এখন দিনের উল্লেখযোগ্য একটা সময় কাটায় সোশ্যাল মিডিয়ায়

প্রতিশোধ নেয়ার জন্য কেউ যখন কারও নগ্ন ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় বা কোন জঙ্গি মতাদর্শের কিছু শেয়ার করে, তখন এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে এতদিন দায়ী করা যেতো না। এজন্যে আইনি ব্যবস্থা নেয়া যেতো কেবল সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে।

কিন্তু এখন অনেক দেশেই আইন বদলানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে, অনেকে আইন করেও ফেলেছে।

ব্রিটেন

সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের জন্য সম্প্রতি ব্রিটিশ সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব করেছে। এর উদ্দেশ্য, ক্ষতিকর কোন ‘কনটেন্ট’ কোন সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পেলে তার জন্য কোম্পানির কর্মকর্তাদেরও যেন দায়ী করা যায়।

ব্রিটিশ সরকারের প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় নিয়ম ভঙ্গকারী সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে বিপুল অংকের জরিমানা থেকে শুরু করে তাদের সেবা পুরোপুরি বন্ধ বা ব্লক করে দেয়ার কথাও রয়েছে।

রাশিয়ায় ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ
Image captionরাশিয়ায় ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ

ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার থেকে শুরু করে নানা ধরণের সোশ্যাল মিডিয়া যারা ব্যবহার করেন, তাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের কথা ভাবছে। এর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে এজন্যে আলোচনা-পরামর্শ গ্রহণ চলবে আগামী ১লা জুলাই পর্যন্ত।

ব্রিটেনের বর্তমান আইনে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় না।

ব্রিটিশ সংস্কৃতি মন্ত্রী মারগট জেমস বলছেন, এই অবস্থান পরিবর্তন দরকার। তিনি চান, ব্রিটেনে এমন আইন তৈরি করা হোক, যাতে করে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো বাধ্য হয় এরকম অবৈধ কনটেন্ট সরিয়ে নিতে।

জার্মানি

জার্মানিতে ২০১৮ সালের শুরু থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপারে এক নতুন আইন কার্যকর হয়। জার্মানিতে যেসব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের বিশ লাখের বেশি ব্যবহারকারি আছে, তারা সবাই এই আইনের আওতায় পড়বে।

জার্মানির এই নতুন আইনে বলা আছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন কনটেন্ট সম্পর্কে কোন অভিযোগ আসার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা তদন্ত এবং পর্যালোচনা করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো এর ফলে বাধ্য হয়েছে সেই ব্যবস্থা করতে।

কেউ যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কোন কনটেন্ট শেয়ার করে যা এই আইনের বিরোধী, সেজন্যে তাকে ৫০ লাখ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে জরিমানা করা যাবে পাঁচ কোটি ইউরো পর্যন্ত।

জার্মানিতে আইনটি কার্যকর হওয়ার পর প্রথম বছরে ব্যবহারকারীদের দিকে থেকে ৭১৪ টি অভিযোগ আসে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কাছে অভিযোগ করার পরও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আপত্তিকর পোস্ট সরিয়ে নেয়া হয়নি বা ব্লক করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন এরা।

একের পর এক ঘটনায় তোপের মুখে আছে মার্ক জাকারবার্গের ফেসবুক
Image captionএকের পর এক ঘটনায় তোপের মুখে আছে মার্ক জাকারবার্গের ফেসবুক

জার্মানির ফেডারেল বিচার মন্ত্রণালয় বিবিসিকে জানিয়েছে, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর বছরের অন্তত ২৫ হাজার অভিযোগ আসবে বলে তারা ধারণা করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ এসেছিল একেবারেই কম। আর যেসব অভিযোগ এসেছে, তার কোনটির ক্ষেত্রেই কাউকে জরিমানা দিতে হয়নি।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ইউরোপীয় ইউনিয়ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদে উৎসাহ যোগায় যেসব ভিডিও, তার বিরুদ্ধে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে জেনারেল ডাটা প্রোটেকশন রেগুলেশন (জিডিপিআর) নামে এক নতুন আইন কার্যকর হয়েছে গত বছর থেকে। বিভিন্ন কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠান কিভাবে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করবে, সে বিষয়েই মূলত এই আইন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নেও কড়া আইন হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে
Image captionইউরোপীয় ইউনিয়নেও কড়া আইন হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরেকটি আইনের প্রস্তাব করেছে, যেটি নিয়ে ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো দুশ্চিন্তায় আছে। কেউ যদি কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কপিরাইট লঙ্ঘন করে কিছু পোস্ট করে, সেজন্যে ঐ ব্যক্তি তো বটেই, সেই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মকেও দায়ী করা যাবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পূর্বের আইনে আপত্তিকর কনটেন্টের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর তা সরিয়ে নিলেই মামলা চুকে যেত। কিন্তু নতুন আইনে এজন্যে দায়িত্বটা এখন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ঘাড়েই বর্তাবে। কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে কীনা, সেটা দেখার এবং নিশ্চিত করার দায়িত্ব থাকবে তাদেরই।

অস্ট্রেলিয়া

গত ৫ই এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ায় এক কঠোর আইন চালু করা হয়েছে যাতে সহিংস এবং জঘন্য কোন কিছু অনলাইনে শেয়ার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করলে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ এনে জেল-জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে।

জরিমানার অংকটি বেশ বড়। কোন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির গ্লোবাল টার্নওভারের দশ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে।

নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ৫০ জনকে হত্যার ঘটনা হামলাকারি যেভাবে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করেছিল, তারপর অস্ট্রেলিয়া এই আইন চালু করলো।

এর আগে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনলাইন সেফটি আইন নামে আরেকটি আইনে একজন ‘ই-সেফটি কমিশনারের’ পদ তৈরি করা হয়। ই-সেফটি কমিশনার সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করতে পারেন আপত্তিকর কনটেন্ট সরিয়ে নিতে। এজন্যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে ৪৮ ঘন্টার নোটিশ দিতে পারেন। জরিমানা করতে পারেন পাঁচ লাখ ২৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে এই জরিমানা হতে পারে এক লাখ পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত।

অস্ট্রেলিয়ায় এই কঠোর আইন করা হয় শার্লট ডসন নামে এক টেলিভিশন উপস্থাপক অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়ে আত্মহত্যা করার পর।

রাশিয়া

রাশিয়ায় ২০১৫ সালের ডাটা আইন অনুযায়ী সব সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকেই রুশ নাগরিকদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য রাশিয়াতেই কোন সার্ভারে সংরক্ষণ করতে হয়। তবে ফেসবুক এবং টুইটার কিভাবে এই আইন মেনে চলবে সে সম্পর্কে কোন স্পষ্ট ধারণা দিতে না পারায় রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।

রাশিয়া এর পাশাপাশি জার্মানির মত একটা আইন করার কথা বিবেচনা করছে যেখানে আপত্তিকর কনটেন্ট সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা এটা করবে না তাদের বিরুদ্ধে জরিমানার ব্যবস্থা থাকবে।

চীন

টুইটার, গুগল বা হোয়াটসঅ্যাপ চীনে নিষিদ্ধ। তবে সেখানে একই ধরণের কিছু চীনা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে। যেমন ওয়েইবো, বাইডু এবং উইচ্যাট।

চীনে কিছু ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক আছে। কিন্তু চীনা কর্তৃপক্ষ সেগুলোর ব্যবহারও সীমিত করে দিতে সক্ষম হয়েছে।

চীনে আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর আছে সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ
Image captionচীনে আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর আছে সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ

চীনের সাইবার স্পেস অ্যাডিমিনিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবছরের জানুয়ারি থেকে আগের ছয় মাসে তারা ৭৩৩টি ওয়েবসাইট এবং নয় হাজারের বেশি মোবাইল অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এগুলোর বেশিরভাগই আসলে জুয়া খেলার বেআইনি সাইট বা অ্যাপ।

চীনের হাজার হাজার সাইবার পুলিশ আছে। এরা ২৪ ঘন্টাই নজরদারি চালায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর কোন তৎপরতা সেখানে চলছে কীনা, তার ওপর।

কিছু কিছু শব্দ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেন্সর করা হয়। যেমন ১৯৮৯ সালে তিয়ান আনমেন স্কোয়ারের ঘটনা।

নিষিদ্ধ শব্দের তালিকায় চীনা কর্তৃপক্ষ আরও নতুন নতুন শব্দ যোগ করছে। এরকম শব্দ থাকে যেসব পোস্টে, সেগুলো হয় নিষিদ্ধ করা হয় অথবা ফিল্টার করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বাদ দেয়া হয়।

Farjana Akter

Generations previous to the year 2000 used to reach, exclusively, for travel agencies when wanting to plan a trip. Consequently, travel agents became personal counselors, destined to help customers with their search to build the perfect vacation itinerary.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *